বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
যদিও আমার জ্ঞান অনেক কম, তবুও আজ কিছু কথা শেয়ার করতে মন চাইছে। যেমন আমাদের বার বার ভুল করার ব্যাপারটি। আমি নিজের কথা বলছি। আমি বার বার ভুল করি। ভুল করার পর মনে হয়- হায় হায় একি করলাম। তখন শুধু একটাই ভয় হয়। যদি এই ভুল করা অবস্থাই মরে যাই তাহলে তো শেষ। তখন তাড়াতাড়ি তওবা করার চেস্টা করি। তওবা করার পর মনটা একটু শান্ত হয়।
আর আল্লাহ তো তওবা কবুলকারী। আল্লাহর রহমত থেকে আমরা যেন কখন যেন নিরাশ না হই। তবে তওবার কিছু নিয়ম আছে। যেমন তওবা করার সময় মনে মনে স্থির করতে হবে যে আমি আর কখনই এ কাজ করবো না। তারপর অজু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করতে হবে। আর সেজদার সময় আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে মন থেকে। তবে আল্লাহর নামে ওয়াদা করা ঠিক না যে আমি আর কখনই এই কাজ করবো না। অনেকে তওবা করতে গিয়ে আল্লাহর নামে কসম করে বসে। এটা করা ঠিক নয়। কারন, আমরা হয়ত এই ওয়াদা রক্ষা করতে পারবো না। শয়তানের ধোকায় পড়ে আবারো ভুলে ঐ কাজটি করে ফেলার একটা চান্স থেকে যায়।
আর আল্লাহর কাছে তো তওবার ভান্ডার রয়েছে। এ থেকে যদি তিনি পৃথিবীর সব মানুষকেও ক্ষমা করে দেন তাতেও তা বিন্দুমাত্র কমবে না। আর সে যত বর পাপীই হোক না কেন তার তওবা তে আল্লাহ তার পাপগুলো কে হাসানাহ তে পরিবর্তন করে দেন।
তওবা করার পর একজন মানুষ সদ্য ভুমিষ্ঠ শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। সুবাহানাল্লাহ। আল্লাহ কতো মহান। ভাবতে অবাক লাগে। আমি হয়তো এমন একটা কুতসিত কাজ করলাম যা পৃথিবীর কোন মানুষ কখনই ক্ষমা করবে না; কিন্তু আল্লাহ তা কতো সহজে ক্ষমা করে দেন।
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ইবাদত হল তওবা। আল্লাহ মানুষকে চাইলে ফেরেশতাগনের মতো নির্ভুল করে সৃস্টি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি। আমরা ভুল করবো আর সেই ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করবো এটাই তিনি চান। আমরা সবসময় মনে রাখবো যে আমার জন্য আর কেউ থাকুক বা না থাকুক একজন আছেন, যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, যিনি সর্বদাই আমাদের দেখছেন, যার কাছে কিছু চাইলে তিনি ফিরান না, যার কাছে পুরা পৃথিবীসম পাপ নিয়ে আসলেও তিনি মাফ করে দেন। আমরা ভুল করলে তার কাছে ক্ষমা চাব, তার দিকে আমাদের মুখ ফিরাবো, আর তার কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে। আল্লাহ স্বয়ং কুরানে বলেন, “আমি তো মানুষ কে সৃষ্টি করেছি ভীরু রূপে”। তিনি আরো বলেন, “যিনি সৃষ্টি করেছেন তার চেয়ে ভাল আর কে জানবেন?”। তিনি জানেন আমরা দুর্বল, তিনি জানেন আমরা ভীরু, তিনি জানেন আমরা অস্থির, তিনি জানেন আমরা ভুল করবো। তাই তিনি বসে আছেন আমাদের জন্য ক্ষমার ডালি হাতে। আমরা ক্ষমা চাইলে তিনি মাফ করবেন। আল্লাহ আমাদের প্রতিদিন যে ভুলগুলো করেছি তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিদ্রা যাবার তওফিক দান করুন। আমীন।
এবার আকটু ইবাদতের কথায় আসি। আজকাল আমাদের সীমাহীন ব্যস্ততা। সকালে ক্লাসে যেতে হয়, দুপুরে একটু রেস্ট নিয়ে যারা একটু ছোট তারা যায় পরতে, আর যারা একটূ বড় তারা যায় পড়াতে, অথবা কেউ খেলতে যায়, আবার যারা চাকুরিজীবি তারা তো রাত ৮ টার আগে ফিরতে পারে না। আর রাতে একটু নেট এ বসা, অথবা একটু সংসারের সবার সাথে গল্পগুজব করা, আর যারা আমার মতো একটু আড্ডাবাজ তাদের তো একটু আড্ডাবাজি না করলে পেটের ভাত হজম হয় না। আসলে আমি যা বলতে চাচ্ছি তা হল আমাদের সবারই হাতে সময় খুব কম এই আধুনিক যুগে। অতএব ইবাদতের দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে আমাদের পুর্ববর্তিদের থেকে। এই সমস্যারও সমাধান আমাদের প্রিয় নবী ও রাসুল (সঃ) দিয়ে গিয়েছেন। বুখারী শরীফের প্রথম হাদিস, যেটা আমরা সবাই জানি, আমাদের পাঠ্য ছিল। রাসূল (সঃ) বলেন, “সকল কাজের ফলাফল নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল”। তো আমরা যদি নিজেদের নিয়্যতটাকে একটু বদলাতে পারি তাহলে আমরা চাইলে সবসময়ই কিন্তু ইবাদতে কাটিয়ে দিতে পারি। যেমন, সকালে ক্লাসে যাওয়ার আগে যদি আমি ভাবি যে, যে জ্ঞান আমি অর্জন করবো তা দিয়ে আমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে কাজ করব। উদাহরন স্বরুপ বলা যেতে পারে, একজন ম্যাডিক্যাল এর ছাত্র যখন ক্লাসের উদ্দেশ্যে যাবে তখন সে যদি মনে করে ডাক্তার হয়ে আমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় বিনামুল্যে চিকিতসা করবো, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই তার উদ্দেশ্য কে কবুল করবেন, আর প্রতিদিন ই সে বিনামুল্যে চিকিতসা দেওয়ার সওয়াব পেতে থাকবে, যদিও সে এখন ডাক্তার হয় নি। আর যতক্ষন সে ক্লাসে থাকবে ততক্ষন সে নফল ইবাদতের সওয়াব পেতে থাকবে। কত সহজ তাই না!! আরো কিছু উদাহরন দেয়া যাক, যেমন খাওয়া দাওয়ার বেপারটা। খাওয়ার শুরুতে যদি আমরা বিসমিল্লাহ বলি, আর খেতে খেতে স্বরন করি আল্লাহর অসীম নিয়ামতের কথা তাহলে খাওয়াও আমাদের জন্য ইবাদত রুপে গন্ন হবে। তেমনিভাবে, গোসল নাপাকি থেকে বাচার নিয়্যতে, বিকালে খেলাধুলা আল্লাহর দেয়া নিয়ামত স্বাস্থকে ঠিক রাখার নিয়তে, চাকুরী বা ব্যবসা আল্লাহর দেয়া রিযিকের তালাশে ও তার আদেশ প্রতিপালনের (পরিবারের রুজির বন্দোবস্তের জন্য) নিয়্যতে যদি আমরা করি তাহলে আমাদের প্রতিটি কাজই ইবাদতের মদ্ধে গন্য হবে। এমনকি আড্ডাবাজির সময় যদি আমরা বন্ধুদের সাথে ভাল কথা বলি ও আল্লাহর দিকে তাদের আহবান করি তাহলে তা সর্বোত্তম ইবাদত বলে গন্য হতে পারে। হাশরের ময়দানে ঐ ব্যাক্তি আল্লাহর আরশের ছায়ায় অবস্থান পাবে যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে কারো সাথে বন্ধুত্ব করলো আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে বন্ধুত্বকে পরিত্যাগ করল। এভাবে আমরা প্রতিনিয়ত আল্লাহর ইবাদতের সওয়াব পেতে থাকবো।
এবার আসি জ্ঞানার্জনের ব্যাপারটায়। আমাদের প্রতিদিন কিছুটা সময় বের করে নিতে হবে ইসলামের জ্ঞান আহরনের উদ্দেশ্যে। হোক তা ১৫ মিনিট। আমার খুব কষ্ট লাগে যখন ভাবি আমাদের আসলে তেমন কিছুই শিখানো হয় নি ইসলাম সম্পর্কে। অতএব দেরী হয়ে গেছে। তারপর যা আমাদের অনেক আগেই শিখার কথা তা হয়তো এখন শিখতে হবে। তাই আর দেরী নয়। অনেক হয়েছে ভাই। যখন আমরা আখিরাতে পউছে যাব তখন আমরা হা হুতাশ করবো। কিন্তু তখন আর সময় দেয়া হবে না। তাই ভাই, আমাদের অবশ্যি কিছুটা সময় বের করে নিতে হবে জ্ঞান অর্জনের জন্য। এই জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি অনেকের কাছে অনেক রকম। যারা আমার চেয়ে ভাল জানেন তাদের কাছে আমরা পরামর্শ নিতে পারি কিভাবে এই জ্ঞান অর্জন শুরু করা যায়। তবে আমি আমার নিজস্ব পদ্ধতিটাও আপনাদের বলছি। যদি আশে পাশে আমার চেয়ে জ্ঞানী কাউকে না পান তাহলে এই পদ্ধতি অনুসরন করতে পারেন। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন যদি আমার ভুল হয়ে থাকে।
যাই হোক, আমি যা বলবো তা হল, প্রথমে কুরআন এর অর্থসহ তিলায়াত শুনুন। যেহেতু আমরা অনেক দেরি করে ফেলেছি তাই এখন হয়ত অনেকের পক্ষেই আরবি ভাষা শিক্ষাটা অনেক কস্টসাধ্য ব্যপার। যদিও কুরআন পরিপুর্ন অর্থ একমাত্র আরবিতেই বুঝা স্বম্ভব তথাপি আমি বলব কুরআন শুনুন অর্থসহ। আপনি আপনার এম পি থ্রি প্লেয়ার অথবা মোবাইলটা ব্যবহার করতে পারেন, আর যদি না থাকে তাহলে আমার মনে হয় একটা কিনে ফেলা ভাল (দামটা আমার জানে আছে তাই বলা)। যখনই অবসর পাবেন, ক্লাসের ব্রেক অথবা অফিসে জাখন কোন কাজ থাকে না একটু একটু করে শুনুন মনোযোগ দিয়ে।
পরবর্তী ধাপে, সহিহ বুখারি টা পরে ফেলুন। প্রতিদিন যদি ১৫ মিনিট করেও সময় দেন তাহলে আমার মনে হয় প্রতিদিন যদি ৩ টি করেও হাদিস পরেন তাহলে সপ্তাহে ২১ টি, মাসে ৯০ টি ও বছরে ১০৯৫ টি হাদিস আপনি শিখে ফেলবেন। আশাকরি মাত্র ১৫ মিনিট সময় আপনারা বের করতে পারবেন।
পরবর্তী ধাপ, হাদিস শিখা মোটামুটি হয়ে গেলে কুরআনের তাফসির শিখার দিকে মনোনিবেশ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আমার কাছে তাফসির ইবন কাসির ই ভাল মনে হয়েছে। আপনারা জ্ঞানী কাউকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিতে পারেন কোন তাফসির টা ভাল হবে।
পরবর্তী ধাপে আমি মনে করি প্রাতিষ্ঠিনিক শিক্ষার কোন জুরি নেই। অনেকে হয়তো বলবেন যে প্রথমে কেন এটা বললাম না। আমি তো আগেই বলেছি ভাই যে আমি নিতান্তই আপনার মত একজন, তবে আমার যা মনে হয়েছে যে আমাদের অনেকের কাছে শুরুতেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহনের কথা বললে তারা কিছুটা পিছু হটে যান। কারন এতে সময় আর সাধ্যের বেপারটা এসে যায়। এর কারন আমাদের ঈমানের দুর্বলতা। আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তাআলা বলেন, “আমি ঈমান্দারদের ঈমান ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করি”। তাই আমার মনে হয়েছে প্রথমে কুরআন শুনলে ও হাদিস পরে নিলে ঈমানটা একটু পোক্ত হবে তখন আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে কোন সমস্যা হবে না।
আর কেউ যদি চান তাহলে সবগুলো ধাপ একসাথে শুরু করতে পারেন। এটা শুধু আমার একটা ধারনা।
তবে একটা কথা বলতে চাই, কিছু শিখতে হলে ধৈর্য ধারন জরুরি। আর কখনই কাউকে অন্ধভাবে অনুসরন করবেন না। যদি সে কোন বিখ্যত আলিমও হয়। যদি আপনার মনে কোন প্রশ্ন আসে করে ফেলুন। লজ্জা পাবেন না অথবা ভাববেন না যে উনি এতবড় আলিম উনি ভুল করতে পারেন না। কিছু জানার আগে যাচাই করে নিন। অনেক কিছু ভাসা ভাসা জানার চেয়ে অল্প কিছু ভালভাবে জানা অনেক ভাল।
আরেকটা উপদেশ তর্কে যাবেন না। তর্ককে পরিহার করুন যতটুকু স্বম্ভব। শালিনভাবে প্রশ্ন করুন, উত্তর না পেলে চুপ থাকুন, আর উত্তরে স্বন্দেহ থাকলে আবারো প্রশ্ন করুন, যদি আপনার শিক্ষক বিরক্ত হয়ে যান তাহলে থেমে যান, অন্য কাউকে জিজ্ঞাসা করুন।
প্রথমে জ্ঞান অরজন করুন তারপর যাচাই করুন যে আপনি যে অবস্থানে আছেন তা সঠিক কিনা। অন্যের কথায় কান দিবেন না আর অন্যকে ছোট মনে করবেন না বা সে ভুল পথে আছে সেটাও মনে করবেন না। সে তার জ্ঞান অনুযায়ী কথা বলছে, তবে তাকে বুঝানোর চেস্টা করুন যদি আপনার কাছে দলিলসহ জ্ঞান থাকে। কাউকে আঘাত করবেন না। যেটা আমরা অহরহ করে থাকি। একটা উদাহরন দেয়া যাক, ধরুন কেউ জামায়াতে ইসলামি করে, কেউবা খিলাফতে মজলিস করে, কেউবা তাবলিগ জামাতের সাথে যুক্ত, অথবা কেউ যুক্ত হিযবুত তাহরিরের সাথে। এখন ধরা যাক আপনিও এদের কোনটার সাথে যুক্ত অথবা অন্য কোন চিন্তাধারার সাথে যুক্ত অথবা কোন কিছুর সাথেই আপনার সংযুক্তি নেই। এখন আপনি এদের কাউকেই খারাপ ভাব্বেন না, অথবা ছোট ভাববেন না, অথবা এটাও ভাববেন না যে এরা ভুল পথে আছে। যদি আপনার কাছে দলিলসহ কোন প্রমান থাকে তাহলে তাদের মধ্যে যে জ্ঞানী তাকে জিজ্ঞাসা করুন যে তারা যা করছে তার পিছনে যুক্তি কি, আর তারপর আপনার প্রমান উপস্থাপন করুন। যদি সে না মানে তাহলে আর তর্কে যাবেন না। তর্ককে এড়িয়ে চলুন কেননা তর্ক জ্ঞান নাশ করে দেয়। আর যদি কেউ আপনাকে তাদের সাথে যোগ দিতে বলে তাহলে যাচাই করে দেখুন তারা সঠিক পথে আছে কিনা। তবে এর জন্য আগে আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে নতুবা যাচাই করবেন কিভাবে? যদি সঠিক মনে হয় তাহলে যোগ দিন নতুবা বিরত থাকুন।
আরেকটি কথা, আল্লাহর রাস্তায় দান করুন। তা যতই ক্ষুদ্র হোক না কেন, সাধ্যমত চেস্টা করুন। আর অন্যকেও উদ্বুদ্ধ করুন। নিশ্চই আল্লাহ তা বহুগুনে আপনাকে ফেরত দিবেন যখন আর কেউ থাকবে না আপনাকে সাহায্য করার জন্য। ক্ষুধার্তকে অন্নদান করুন, আর এতিমকে লালন পালন করুন যদি আপনার সামর্থ থাকে। আর আত্মীয় স্বজনদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন, তাদেরও সাহায্য করুন যদি কোনভাবে পারেন। আর পিতামাতার সাথে ভাল ব্যবহার করুন, যাতে তাদের কন্ঠ্য থেকে উফ শব্দটিও উচ্চারিত না হয়। সমাজে এমন অনেক লোক আছে যারা অভাবগ্রস্ত কিন্তু তারা কখনও অভাবের কথা উচ্চারন করে না। তাদের চিনা যায় তাদের চেহারা থেকে। তাদের সাহায্য করুন গোপনে। নিশ্চয়ই গোপন দান সর্বোত্তম। দান করার জন্য সময় কিংবা অবস্থার উন্নতির অপেক্ষায় থাকবেন না। যা আছে তা থেকে সাধ্যমত দান করুন। দান করার জন্য অনেকই স্থান, কাল, পাত্র বিচার করে থাকে। এটা মোটেও উচিত নয়। কেউ যদি মিথ্যা বলেও আপনার কাছে সাহায্য চায়, তাকে সাহায্য করুন। কারন আপনার দান আল্লাহর উদ্দেশ্যে, আর আল্লাহ আপনার নিয়্যত ঠিকই বুঝতে পেরেছেন।
আর আল্লাহকে ভয় করতে থাকুন, আর কাউকে ভয় পাবেন না। আর ধ্যৈর্যধারন করুন। নিশ্চই আল্লাহ ধ্যৈর্যশীলদের সাথে আছেন।


06:28
নাজমুল ইসলাম
0 comments:
Post a Comment